রাইয়ান, তার বিড়াল মিনি আর কোডিং-দাদুর সাথে ঘুরে আসো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এক মজার দিনে — যেখানে প্রতিটা মুহূর্ত C প্রোগ্রামিংয়ের একটা নতুন গল্প। নিচের কোড বক্সে নিজে হাতে কোড বদলে "কোড রান করো" চেপে দেখো কী হয়!
ভোর ছয়টায় রাইয়ানের ঘড়ি বেজে উঠল "টিরিং টিরিং"! ঘুম থেকে উঠেই সে দেখল তার বিছানার পাশে বসে আছেন কোডিং-দাদু, হাতে একটা চকচকে ল্যাপটপ। দাদু হাসতে হাসতে বললেন, "আজ থেকে আমরা কম্পিউটারের সাথে কথা বলা শিখব, ওর নাম C ভাষা!"
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "প্রতিটা C প্রোগ্রাম শুরু হয় main() নামের একটা ঘর থেকে। আর printf() হলো জাদুর চোঙা, যা দিয়ে কম্পিউটার আমাদের কথা বলে!"
রাইয়ান প্রথম যে লাইন লিখল, সেটা ছিল তার নিজের নাম দিয়ে একটা শুভেচ্ছাবার্তা। দাদু আরেকটা জিনিস দেখালেন — // চিহ্ন দিয়ে লেখা কমেন্ট, যা কম্পিউটার একদমই পড়ে না, শুধু মানুষকে বোঝানোর জন্য লেখা হয়, ঠিক যেমন বইয়ের মার্জিনে নোট লেখা হয়।
#include <stdio.h> int main() { // eita ekta comment, computer eta pore na printf("Suprovat Prithibi! Ami Rayan!\n"); printf("Aj ami C programming shikhbo.\n"); return 0; }
নাস্তার টেবিলে রাইয়ান হিসেব করছিল — তার বয়স, পকেটের জমানো টাকা, আর নামের প্রথম অক্ষর। মিনি বিড়ালটা লাফিয়ে টেবিলে উঠে "ম্যাও" করে জিজ্ঞেস করল যেন, "এগুলো তুমি মনে রাখো কীভাবে?"
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "কম্পিউটারের মেমোরিতে আলাদা আলাদা বাক্স থাকে। পূর্ণসংখ্যার জন্য int, দশমিক সংখ্যার জন্য float, আর একটামাত্র অক্ষরের জন্য char বাক্স ব্যবহার করি।"
রাইয়ান তখন তিনটে বাক্সে তিনটে জিনিস ভরে রাখল — যেন মেমোরি একটা সুন্দর সাজানো আলমারি, যেখানে প্রতিটা তাকে কী থাকবে তা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে।
int, float, char ডেটা টাইপ%d, %f, %c ফরম্যাট স্পেসিফায়ার#include <stdio.h> int main() { int boyosh = 10; float pocket_money = 55.50; char first_letter = 'R'; printf("Rayan-er boyosh: %d bochor\n", boyosh); printf("Pocket money: %.2f taka\n", pocket_money); printf("Namer prothom okkhor: %c\n", first_letter); return 0; }
স্কুলে যাওয়ার পথে রাইয়ানের ব্যাগে ছিল ৩টা আপেল, বন্ধু তাকে দিল আরও ৪টা। "মোট কতগুলো হলো?" — এই প্রশ্নের উত্তর দিতে কম্পিউটার ব্যবহার করে + চিহ্ন, যাকে বলে অপারেটর।
দাদু দেখালেন যে শুধু যোগ নয়, বিয়োগ (-), গুণ (*), ভাগ (/) — সবকিছুরই নিজস্ব চিহ্ন আছে, আর > বা < দিয়ে দুটো সংখ্যা তুলনাও করা যায়, যেমন কে বেশি লম্বা তা বের করার মতো!
+ - * /> < ==#include <stdio.h> int main() { int amar_apel = 3; int bondhur_apel = 4; int total = amar_apel + bondhur_apel; int parthokko = bondhur_apel - amar_apel; int gunfol = amar_apel * bondhur_apel; printf("Total apel: %d\n", total); printf("Parthokko: %d\n", parthokko); printf("Gunfol: %d\n", gunfol); if (total > 5) { printf("Onek apel hoye geche!\n"); } return 0; }
ক্লাসে স্যার একটা মজার খেলা খেলালেন — সবাইকে একটা সংখ্যা লিখতে বললেন, আর কম্পিউটার সেটা "শুনে" তার দ্বিগুণ বলে দেবে! রাইয়ান অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, "কম্পিউটার কীভাবে আমার লেখা 'শোনে'?"
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "scanf() হলো কম্পিউটারের কান। এটা ইউজারের টাইপ করা মান তুলে নিয়ে ভেরিয়েবলে জমা রাখে, ঠিক যেমন তুমি ডাকপিয়নের কাছ থেকে চিঠি নাও।"
নিচের বক্সে "স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট" ঘরে একটা সংখ্যা লিখে রান করো, দেখো কম্পিউটার কেমন উত্তর দেয়!
scanf() দিয়ে ইউজারের থেকে মান নেওয়া& (এড্রেস-অফ) চিহ্নের ব্যবহার#include <stdio.h> int main() { int number; printf("Ekta songkha lekho: "); scanf("%d", &number); printf("Tumi likhecho: %d\n", number); printf("Er dwigun holo: %d\n", number * 2); return 0; }
আম্মু বললেন, "পরীক্ষায় ৯০-এর বেশি পেলে সোনার মেডেল-বিস্কুট, ৮০-এর বেশি হলে বড় বিস্কুট, নাহলে ছোট বিস্কুট!" রাইয়ান মনে মনে ভাবল, এটাও তো ঠিক কম্পিউটারের মতোই সিদ্ধান্ত নেওয়া!
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "if দিয়ে আমরা শর্ত পরীক্ষা করি — শর্ত সত্যি হলে এক কাজ, মিথ্যা হলে else দিয়ে আরেক কাজ। আর অনেকগুলো শর্ত একসাথে থাকলে else if ব্যবহার করি।"
রাইয়ান তার স্কোর বসিয়ে দেখল কম্পিউটার ঠিক আম্মুর মতোই বিচার করে বলে দিচ্ছে কোন বিস্কুট তার প্রাপ্য!
if, else if, else#include <stdio.h> int main() { int score = 85; if (score >= 90) { printf("Bah! Sonar medal-biscuit!\n"); } else if (score >= 80) { printf("Darun! Boro biscuit!\n"); } else if (score >= 60) { printf("Bhalo hoyeche, choto biscuit!\n"); } else { printf("Arektu cheshta koro, bondhu!\n"); } return 0; }
ক্লাসে ক্যালেন্ডার নিয়ে খেলা হচ্ছিল — কেউ একটা সংখ্যা বললেই বলতে হবে সেটা সপ্তাহের কোন দিন। রাইয়ান ভাবল, if-else দিয়ে করতে গেলে অনেক লাইন লাগবে তো!
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "অনেকগুলো নির্দিষ্ট মান থেকে একটা বেছে নিতে হলে switch-case ব্যবহার করো — এটা একটা ট্রেন স্টেশনের মতো, প্রতিটা case একটা প্ল্যাটফর্ম, আর break মানে ট্রেন থেমে যাওয়া।"
দুটো কেসকে একসাথে জোড়া দিয়ে (৬ আর ৭ নম্বর) রাইয়ান দেখাল ছুটির দিন কীভাবে একসাথে ধরা যায়।
switch, case, break, default#include <stdio.h> int main() { int day = 2; switch (day) { case 1: printf("Robibar - School khola\n"); break; case 2: printf("Sombar - Onko porikkha!\n"); break; case 6: case 7: printf("Chhutir din! Iyeeee!\n"); break; default: printf("Sadharon school-er din\n"); } return 0; }
টিফিন পিরিয়ডের আগমুহূর্তে স্যার বললেন মাঠে ৫ চক্কর দৌড়াতে হবে। রাইয়ান একই কাজ ৫ বার করতে গিয়ে ভাবল, "এইটা তো একঘেয়ে! কম্পিউটারে নিশ্চয়ই সোজা কোনো উপায় আছে?"
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "for লুপ হলো একটা চাকা — শুরু, শর্ত, আর প্রতিবার একটু বাড়ানো, এই তিনটে জিনিস ঠিক করে দিলেই ও নিজে নিজে ঘুরতে থাকবে!"
রাইয়ান i নামের একটা গোনা-সংখ্যা দিয়ে ১ থেকে ৫ পর্যন্ত দৌড়ের প্রতিটা চক্করের হিসাব রাখল।
for (শুরু; শর্ত; বৃদ্ধি) গঠন#include <stdio.h> int main() { for (int i = 1; i <= 5; i++) { printf("Dourer chokkor number: %d\n", i); } printf("Rayan hapachche! Total 5 chokkor shesh.\n"); return 0; }
টিফিনে রাইয়ানের বাটিতে ৫টা কুকি ছিল। সে ঠিক করল বাটি খালি না হওয়া পর্যন্ত খেতেই থাকবে — কিন্তু কতবার খাবে সেটা আগে থেকে জানা নেই, শুধু জানে "যতক্ষণ কুকি আছে"।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "এখানে for লুপ নয়, while লুপ লাগবে — যতক্ষণ শর্ত সত্যি, ততক্ষণ কাজ চলতেই থাকবে। শুরুতে কয়বার হবে তা জানার দরকার নেই।"
প্রতিবার একটা কুকি খেয়ে রাইয়ান গুনতির সংখ্যা এক করে কমাতে লাগল, যতক্ষণ না বাটি খালি হয়।
while (শর্ত) { ... }#include <stdio.h> int main() { int cookies = 5; while (cookies > 0) { printf("Arekta cookie khelam, baki ache: %d\n", cookies - 1); cookies = cookies - 1; } printf("Shob cookie shesh!\n"); return 0; }
খেলার মাঠে রাইয়ান বাস্কেটে বল ঢোকানোর চেষ্টা করছিল। প্রথমবারেই হয়তো ঢুকবে না, কিন্তু একবার তো চেষ্টা করতেই হবে, তারপর দরকার হলে আবার আর আবার।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "do-while লুপ আগে কাজটা করে, তারপর শর্ত দেখে — মানে অন্তত একবার তো চেষ্টা হবেই, তারপর শর্ত সত্যি থাকলে আবার হবে।"
রাইয়ান তিনবার চেষ্টা করে অবশেষে বল ঢুকিয়ে "ইয়েএএ!" বলে চিৎকার করল।
do { ... } while(শর্ত);#include <stdio.h> int main() { int attempts = 0; do { attempts = attempts + 1; printf("Ball chorar cheshta number: %d\n", attempts); } while (attempts < 3); printf("Obosheshe basket-e ball dhuklo!\n"); return 0; }
স্কুলের অনুষ্ঠানে সারি সারি বেলুন। রাইয়ানকে বলা হলো ১ থেকে ১০ পর্যন্ত বেলুন গুনতে, কিন্তু ৪ নম্বরটা বাদ দিতে হবে (ওটা নষ্ট), আর ৮ নম্বরে পৌঁছালেই থেমে যেতে হবে।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "continue মানে এই ধাপটা এড়িয়ে পরের ধাপে চলে যাওয়া, আর break মানে পুরো লুপ থেকে বেরিয়েই যাওয়া। দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন কাজ!"
রাইয়ান দেখল ৪ নম্বর বেলুন গোনায় বাদ পড়ল, আর ৮ নম্বরে পৌঁছেই পুরো গোনাগুনতি থেমে গেল।
continue — ধাপ এড়িয়ে যাওয়াbreak — লুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়া#include <stdio.h> int main() { for (int i = 1; i <= 10; i++) { if (i == 4) { continue; } if (i == 8) { break; } printf("Golapi balloon number: %d\n", i); } return 0; }
দুপুরে খেলার সময় রাইয়ানের কাছে ৫ রঙের ৫টা মার্বেল ছিল। প্রতিটার জন্য আলাদা নাম দিতে গেলে (marble1, marble2...) বিরক্তিকর হয়ে যাবে, তাই দাদু একটা কৌশল শেখালেন।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "অ্যারে হলো একসারি বাক্স, একই নামে কিন্তু নম্বর দিয়ে আলাদা করা — marbles[0], marbles[1], এভাবে। মনে রেখো, গোনা শুরু হয় ০ থেকে!"
রাইয়ান একটা লুপ দিয়ে সবগুলো বাক্স ঘুরে ঘুরে দেখাল কোন বাক্সে কোন মার্বেল আছে।
int marbles[5]#include <stdio.h> int main() { int marbles[5] = {10, 20, 30, 40, 50}; for (int i = 0; i < 5; i++) { printf("Box number %d e marble ache: %d\n", i + 1, marbles[i]); } return 0; }
খাওয়ার পর পরিবারসহ সিনেমা হলে যাওয়ার প্ল্যান হলো। সিট বুকিং-এ রাইয়ান দেখল আসনগুলো সারি (row) আর কলাম (column) মিলিয়ে সাজানো — যেন একটা গ্রিড বা টেবিল।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "একটা অ্যারের ভেতরে আরেকটা অ্যারে রাখলেই ২ডি অ্যারে হয়ে যায় — যেমন সিনেমা হলের সিট চার্ট, প্রথম নম্বর দিয়ে সারি আর দ্বিতীয় নম্বর দিয়ে কলাম বোঝানো হয়।"
দুটো লুপ একসাথে বসিয়ে (একটা আরেকটার ভেতরে) রাইয়ান পুরো সিট চার্টটাই ছাপিয়ে ফেলল।
int seats[2][3]#include <stdio.h> int main() { int seats[2][3] = { {1, 2, 3}, {4, 5, 6} }; for (int row = 0; row < 2; row++) { for (int col = 0; col < 3; col++) { printf("Sari %d, column %d = ason number %d\n", row, col, seats[row][col]); } } return 0; }
সিনেমা হলে নিজের আর মিনির নামের ট্যাগ বানাতে গিয়ে রাইয়ান বুঝল, নাম তো একটামাত্র char নয়, অনেকগুলো অক্ষর মিলে তৈরি! এই অক্ষরের সারিকেই বলে স্ট্রিং।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "C-তে স্ট্রিং আসলে char-এর একটা অ্যারে। আর %s ফরম্যাট দিয়ে পুরো নামটাই একসাথে ছাপানো যায়, একটা একটা অক্ষর আলাদা করে লেখা লাগে না।"
দাদু আরও দেখালেন strlen() নামের একটা যন্ত্র, যা দিয়ে যেকোনো নামের দৈর্ঘ্য (কয়টা অক্ষর) সহজেই বের করা যায়।
%s দিয়ে স্ট্রিং প্রিন্ট করাstrlen() দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপা#include <stdio.h> #include <string.h> int main() { char name[20] = "Rayan"; char pet[20] = "Mini"; printf("Amar naam: %s\n", name); printf("Amar biraler naam: %s\n", pet); printf("Namer doirgho: %d okkhor\n", (int)strlen(name)); return 0; }
বিকেলে বাসায় ফিরে রাইয়ান একটা ছোট্ট "জাদুর মেশিন" বানাতে চাইল, যেখানে দুটো সংখ্যা ঢোকালেই যোগফল বেরিয়ে আসবে। বারবার একই হিসাব না লিখে এই মেশিনটাকে বারবার ব্যবহার করা যাবে।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "এটাকেই বলে ফাংশন — একটা নাম দেওয়া কাজের প্যাকেট, যাকে দরকার হলেই ডাকা যায়, আর একই কোড বারবার লেখার ঝামেলা থাকে না।"
রাইয়ান তার মেশিনের নাম দিল jog (মানে যোগ করা), আর সেটাকে দুইবার আলাদা আলাদা সংখ্যা দিয়ে ডেকে দেখাল।
#include <stdio.h> int jog(int a, int b) { return a + b; } int main() { int result = jog(5, 7); printf("Jogfol: %d\n", result); printf("Arekbar: %d\n", jog(100, 23)); return 0; }
রাইয়ান আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আরেকটা আয়না ধরল — আর দেখল ভেতরে ভেতরে অসংখ্য প্রতিফলন! দাদু বললেন এটাই একটা দারুণ উদাহরণ কম্পিউটারের একটা জাদুকরী কৌশলের।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "একটা ফাংশন যখন নিজেকেই আবার ডাকে, তাকে বলে রিকার্সন। যেমন factorial(5) হিসাব করতে factorial(4) লাগে, factorial(4) এর জন্য factorial(3) লাগে — এভাবে ছোট হতে হতে একদম ১ এ থামে।"
রাইয়ান দেখল ৫! (৫ ফ্যাক্টোরিয়াল) মানে ৫×৪×৩×২×১, আর কম্পিউটার এটা বের করল নিজেকে বারবার ডেকে।
#include <stdio.h> int factorial(int n) { if (n <= 1) { return 1; } return n * factorial(n - 1); } int main() { int num = 5; printf("%d! = %d\n", num, factorial(num)); return 0; }
রাইয়ান তার প্রিয় খেলনাটা আলমারির কোন তাকে আছে, সেই ঠিকানা একটা কাগজে লিখে রাখল। এখন এই কাগজটা যে কাউকে দিলেই সে সরাসরি খেলনাটা খুঁজে বের করতে পারবে!
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "পয়েন্টার হলো ঠিক এই কাগজের মতো — এটা কোনো মান নিজে ধরে রাখে না, বরং মেমোরিতে সেই মান কোথায় আছে, সেই ঠিকানা মনে রাখে। * চিহ্ন দিয়ে সেই ঠিকানায় গিয়ে আসল মান দেখা যায়।"
রাইয়ান পয়েন্টার দিয়ে দূর থেকেই তার খেলনার মান বদলে ফেলল, ঠিক যেন জাদু!
& দিয়ে ঠিকানা বের করা* দিয়ে পয়েন্টার ঘোষণা ও ডিরেফারেন্স করা#include <stdio.h> int main() { int toy = 99; int *ptr = &toy; printf("Khelnar asol maan: %d\n", toy); printf("Pointer diye dekha maan: %d\n", *ptr); *ptr = 150; printf("Pointer diye bodlanor por: %d\n", toy); return 0; }
রাইয়ানের প্রিয় খেলনা রোবট "চিট্টি"-র একটা নাম আছে, একটা শক্তির মাত্রা আছে। এই দুটো আলাদা জিনিসকে একসাথে জুড়ে একটা পরিচয়পত্র বানানো গেলে কী মজাই না হতো!
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "struct দিয়ে আমরা ভিন্ন ভিন্ন ডেটা টাইপ একসাথে জুড়ে একটা নতুন 'কাস্টম' টাইপ বানাতে পারি — এটাই স্ট্রাকচার, যেন একটা ফর্ম যেখানে নাম আর ক্ষমতা দুটোই থাকে।"
রাইয়ান তার রোবটের শক্তি ১০ বাড়িয়ে দেখাল কীভাবে স্ট্রাকচারের একটা অংশ (member) বদলানো যায়।
struct দিয়ে কাস্টম ডেটা টাইপ বানানো.) দিয়ে মেম্বার অ্যাক্সেস করা#include <stdio.h> struct Robot { char name[20]; int power; }; int main() { struct Robot r1 = {"Chitti", 90}; printf("Robot-er naam: %s\n", r1.name); printf("Shokti: %d\n", r1.power); r1.power = r1.power + 10; printf("Notun shokti: %d\n", r1.power); return 0; }
রাইয়ান আবার সপ্তাহের দিনগুলো নিয়ে ভাবছিল, কিন্তু এবার সংখ্যা (0,1,2...) মনে রাখার বদলে দিনগুলোর নামই ব্যবহার করতে চাইল — SUNDAY, MONDAY... এভাবে।
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "enum দিয়ে আমরা কিছু সংখ্যাকে সুন্দর নাম দিতে পারি। ভেতরে ভেতরে এরা এখনও সংখ্যাই (০, ১, ২...), কিন্তু কোডে পড়তে অনেক সহজ হয়ে যায়।"
রাইয়ান দেখল MONDAY লিখলেই কম্পিউটার বুঝে যায় এটা আসলে সংখ্যা ১।
enum দিয়ে নাম-করা ধ্রুবক বানানো#include <stdio.h> enum Day { SUNDAY, MONDAY, TUESDAY, WEDNESDAY }; int main() { enum Day today = MONDAY; printf("Ajker diner number: %d\n", today); if (today == MONDAY) { printf("Aj sombar, school-e jete hobe!\n"); } return 0; }
রাইয়ানের একটা ছোট্ট গোপন বাক্স আছে যেখানে একবার একটা সংখ্যা, আবার একবার একটা অক্ষর রাখা যায় — কিন্তু দুটো একসাথে নয়, একটা সময়ে একটাই!
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "union হলো স্ট্রাকচারের মতোই দেখতে, কিন্তু এখানে সব মেম্বার একই জায়গা (মেমোরি) ভাগাভাগি করে ব্যবহার করে। নতুন কিছু রাখলে আগেরটা হারিয়ে যায়!"
রাইয়ান প্রথমে বাক্সে একটা সংখ্যা রাখল, পরে সেখানেই একটা অক্ষর রেখে দেখাল আগের সংখ্যাটা আর নেই।
union কীভাবে মেমোরি শেয়ার করে#include <stdio.h> union Box { int number; char letter; }; int main() { union Box b; b.number = 65; printf("Box-e songkha rakhlam: %d\n", b.number); b.letter = 'A'; printf("Ebar box-e okkhor rakhlam: %c\n", b.letter); return 0; }
সন্ধ্যায় হোমওয়ার্ক করার সময় রাইয়ান একটা নিয়ম বারবার লিখতে লিখতে ক্লান্ত হয়ে গেল — "সর্বোচ্চ ৫টা খেলনা রাখা যাবে"। দাদু বললেন এটার জন্যও শর্টকাট আছে!
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "#define দিয়ে আমরা একটা নাম আগে থেকেই একটা মানের সাথে বেঁধে দিতে পারি। কম্পাইলার কোড পড়ার আগেই এই নামগুলো বদলে আসল মান বসিয়ে দেয়।"
দাদু আরেকটা মজার জিনিস দেখালেন — SQUARE(x) নামের একটা ম্যাক্রো, যেটা যেকোনো সংখ্যার বর্গ (নিজের সাথে নিজের গুণ) বের করে দেয়।
#define দিয়ে ধ্রুবক বানানো#include <stdio.h> #define MAX_TOYS 5 #define SQUARE(x) ((x) * (x)) int main() { printf("Sorbochcho khelna rakha jabe: %d ti\n", MAX_TOYS); printf("4 er borgo: %d\n", SQUARE(4)); return 0; }
দিনের শেষে ক্লাসের সব বন্ধুর পরীক্ষার নম্বর ছোট থেকে বড় করে সাজাতে হবে। রাইয়ান ভাবল, এতক্ষণ শেখা সব জিনিস — অ্যারে, লুপ, শর্ত — একসাথে ব্যবহার করে এটা করা যায় কি না!
🧙🏽♂️ দাদু বললেন: "এটাই আসল মজা — বাবল সর্ট অ্যালগরিদমে আমরা পাশাপাশি দুটো সংখ্যা তুলনা করি, বড়টা পেছনে ঠেলে দিই, ঠিক যেমন পানির বুদবুদ উপরে ভেসে ওঠে।"
রাইয়ান দেখল কীভাবে ছোট ছোট ধাপে ধাপে পুরো তালিকাটাই সাজানো হয়ে যায় — এটাই তার প্রথম "প্রোগ্রাম" যা সত্যিকারের একটা সমস্যা সমাধান করল!
#include <stdio.h> int main() { int scores[6] = {45, 89, 12, 67, 90, 34}; int n = 6; for (int i = 0; i < n - 1; i++) { for (int j = 0; j < n - i - 1; j++) { if (scores[j] > scores[j + 1]) { int temp = scores[j]; scores[j] = scores[j + 1]; scores[j + 1] = temp; } } } printf("Choto theke boro: "); for (int i = 0; i < n; i++) { printf("%d ", scores[i]); } printf("\n"); return 0; }
রাইয়ান, মিনি আর কোডিং-দাদু জানালার পাশে বসে তারা দেখছে। সকালের "হ্যালো, পৃথিবী!" থেকে শুরু করে রাতের বাবল সর্ট পর্যন্ত — আজ একটামাত্র দিনে C প্রোগ্রামিংয়ের প্রায় সবগুলো বড় ধারণা ঘুরে দেখা হয়ে গেল। দাদু হাসিমুখে বললেন, "এখন থেকে প্রতিটা কোড তোমার কাছে একটা নতুন গল্প!"